
ডা. নূরজাহান বেগম
ডা. নূরজাহান বেগম
সকল লেখা

ডেঙ্গু হলে যা করবেন, যা করবেন না
প্রতিবছরের মতো আবারও শুরু হয়েছে ডেঙ্গু-আতঙ্ক। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ডেঙ্গুর প্রকোপ কিছুটা দেরিতে শুরু হলেও এর ভয়াবহতা কমেনি; বরং প্রতিনিয়ত বাড়ছে।

এই সময় শিশুর ডায়রিয়া হলে
বর্ষায় অনেক শিশুর ডায়রিয়া হয়। তাই এ সময় মা-বাবা ও পরিবারের সদস্যদের বাড়তি সতর্কতা মেনে চলতে হবে।

এই শীতে শিশুর ত্বক ও চুলের যত্ন
শীতকালে শিশুদের সাধারণ ঠান্ডা-কাশিসহ নিউমোনিয়ার প্রবণতা বেশি থাকে। তাই নবজাতক ও শিশুদের ত্বক ও চুলের যত্ন নিয়ে মা-বাবাসহ পরিবারের সবাই বেশ উদ্বিগ্ন থাকেন। শীতকালে বাড়তি সতর্কতার জন্য কিছু বিষয় লক্ষ রাখতে হবে।

শিশুর ডেঙ্গুতে যা খেয়াল রাখবেন
পুরো দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা। প্রতিবছরের মতো এবারও শিশুদের আক্রান্তের হার এবং জটিলতা বেশি। জিনগত পরিবর্তনের ফলে এডিস মশা এখন রাতেও কামড়ায় এবং ময়লা পানিতে বংশবিস্তার করছে। ঢাকায় ডেঙ্গু রোগীদের রক্তে ভাইরাসটির নতুন নতুন সেরোটাইপ শনাক্ত হচ্ছে। এবার সেরোটাইপ ১-এর আধিক্য বেশি।

বর্ষায় শিশুর পানিবাহিত রোগ ও জ্বর হলে
বর্ষায় ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ, টাইফয়েড, সাধারণ সর্দি-কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, নিউমোনিয়া ও অন্যান্য মৌসুমি রোগে ভুগতে থাকে শিশুরা। হাসপাতালে ভর্তির হারও বেড়ে যায়। এর মধ্যে এবার ব্যাপকভাবে যুক্ত হয়েছে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা ও আতঙ্ক। তাই এ সময় মা-বাবা ও পরিবারের সদস্যদের বাড়তি সতর্কতা মেনে চলতে হবে।

শিশুদের যতটা সম্ভব ঠান্ডা পরিবেশে রাখতে হবে
গরমে শরীরের ঘামগ্রন্থির নালি বন্ধ হয়ে ঘামের বিভিন্ন উপাদান চামড়ার বিভিন্ন স্তরে জমা হয়ে ঘামাচি তৈরি করে। শিশুদের ঘামগ্রন্থি অপরিপক্ব, তাই তাদের ঘামাচি বেশি হয়।

গ্রীষ্মে শিশুর যত্নে করণীয়
মাঝে মাঝে এক পশলা ঝড়-বৃষ্টি স্বস্তি বয়ে আনলেও প্রচণ্ড দাবদাহে সবার প্রাণ ওষ্ঠাগত। অতিরিক্ত গরমে বড়দের পাশাপাশি শিশুদেরও বেশ ভোগান্তির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। এর মধ্যে স্কুলগামী শিশুদের ভোগান্তিটা একটু বেশি। শিশুদের সংবেদনশীল ত্বক

গরমে শিশুর ডায়রিয়া হলে
কোথাও কোথাও ঝুপঝাপ বৃষ্টি হচ্ছে বটে, কিন্তু তাতে গরম কমার চেয়ে যেন বেশি হয়ে উঠছে। এই গরমে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষেরাই যেখানে হাঁসফাঁস করছে, সেখানে শিশুদের কথা আর কী বলব। অতিরিক্ত তাপমাত্রা খাবার ও পানিতে পানিবাহিত ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও পরজীবীদের দ্রুত বেড়ে উঠতে সহায়তা করে।

গ্রোয়িং পেইন হলে ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম দিতে হবে
আমার মেয়ের বয়স ১০ বছর। স্বাস্থ্য অতটা ভালো নয়। খুব চঞ্চল। আট বছর বয়স থেকে রোজা রাখার বায়না ধরে। ১৪-১৫টা রাখে। ফেব্রুয়ারিতে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগেছে। এখনো দুর্বল। ওকে নিষেধ করলেও বা ভোররাতে সাহ্রিতে না ডাকলে সে না খেয়েই রোজা রাখে। কোনো কথা শোনে না।

শিশুর অতিরিক্ত চঞ্চলতা, কী করবেন
শিশুর মাত্রাতিরিক্ত চঞ্চলতা এবং অমনোযোগ যদি তার দৈনন্দিন কাজকে বাধাগ্রস্ত করে, পড়ালেখায় বিরূপ প্রভাব ফেলে, সামাজিক আচরণে বিঘ্ন ঘটায়, সে প্রবণতাই এডিএইচডি বা অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপার অ্যাকটিভিটি ডিজঅর্ডার। তবে এই লক্ষণগুলো যদি সাত বছরের কম বয়সী শিশুর মধ্যে কমপক্ষে ছয় মাস ধরে দেখা যায়, তখনই কেবল সেটাক

বসন্তে শিশুর অসুখ-বিসুখের প্রতিকার
শীতের বিদায় ও বসন্তের আগমন স্বস্তি আনে ঠিকই; কিন্তু আবহাওয়ার পরিবর্তন নিয়ে একটা অস্বস্তি কাজ করতে থাকে। বিশেষ করে শিশুদের নতুন করে অসুখ-বিসুখের প্রকোপের ভয় কাজ

নবজাতকের নাভিতে সেঁক দেবেন না
দুই সপ্তাহ আগে আমার প্রথম সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়েছে। যেহেতু আমার প্রথম মা হওয়ার অভিজ্ঞতা, ফলে সব মিলিয়ে বুঝতে একটু সময় লাগছে। এখন ঠান্ডা পড়েছে, নবজাতকের পরিচর্যার ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয় গুরুত্বপূর্ণ? ঠিক কতক্ষণ পরপর তাকে

শীতে শিশুর অসুখ-বিসুখ
শীতের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে একটু একটু করে। ধোঁয়া ওঠা পিঠাপুলি আর খেজুর গুড়ের পাশাপাশি শীতকালের শুষ্ক জীর্ণ প্রকৃতির বিরূপ চিত্র মনকে মলিন করে তোলে। সেই সঙ্গে ওত পেতে থাকা নানা রকম অসুখ-বিসুখের পূর্বাভাস একধরনের অস্থিরতাও তৈরি করে; বিশেষ করে ছোট্ট সোনামণিদের অসুখ-বিসুখ নিয়ে মা-বাব এবং পরিবারের অন্যরা ব

শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার বিকাশে
‘ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে’ কথাটি আমরা বেশ গাম্ভীর্যপূর্ণ মনোভাব নিয়েই বলে থাকি। কিন্তু এই শিশুর পেছনে যে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষটি লুকিয়ে আছে, তাকে সব সময় ছোট বলে অবহেলা করে থাকি। তার চিন্তাভাবনার ব্যাপ্তি আমাদের কাছে কেবলই পাঠ্যপুস্তকের বাণী আর আলোচনার বিষয়।

শিশুর পায়ে ব্যথা বা গ্রোয়িং পেইন
সারা দিনের দুরন্তপনা শেষে সন্ধ্যা নামলেই আদরের ছোট্ট শিশুটির কান্না দেখতে কার ভালো লাগে? এই কান্নার কারণ হতে পারে পায়ে ব্যথা। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায়, ‘গ্রোয়িং পেইন’ বলে একটি শব্দ প্রায়ই বলা হয়। চলতি ভাষায় একে বলা যেতে পারে ‘বেড়ে ওঠার ব্যথা’। তবে এটি বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় কোনো সমস্যা তৈরি করে না।

শিশু স্বাস্থ্য: নবজাতকের রোগবালাই
মাতৃগর্ভের নিরাপদ আশ্রয়স্থল ছেড়ে নবীণ আগন্তুক যখন সুতীব্র চিৎকারে তার আগমনী বার্তা জানান দেয় এই পৃথিবীকে, তখন মা-বাবা, পরিবার এবং আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে যেমন এক অনাবিল আনন্দের মুহূর্তের সূত্রপাত হয়, ঠিক তেমনি প্রতিটি পদে পদে চলতে থাকে নবজাতক নিয়ে দুঃশ্চিন্তা। এই বুঝি সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুটির কোন সমস্যা হয়
